Those Days | Sei Somoy By Sunil Gangopadhyay

    Those

    download Those Days

    Those Days (Bengali: সেই সময়) is a historical novel by Sunil Gangopadhyay set in 19th centruy Bengal against the backdrop of the Bengal Renaissance and the 1857 uprising.. It was first published as a serialized novel in the Bengali literary magazine Desh. Gangopadhyay won the Sahitya Akademi Award for the novel in 1985.

    The story centers around the life of Nabinkumar (character based on Kaliprasanna Singha), along with legendary historical figures including Ishwar Chandra Vidyasagar, the reformer; Michael Madhusudan Dutt, the poet; the father and son duo of Dwarkanath Tagore and Debendranath Tagore; Harish Mukherjee, the journalist; Keshab Chandra Sen, the Brahmo Samaj radical; David Hare and John Bethune, the English educationists; Dinabandhu Mitra, the playwright; Radhanath Sikdar, the mathematician; Bhudev Mukhopadhyay, the novelist; and others.

    Yugantar, an Indian television series that aired on DD National in the 1980s, was based on Sei Somoy. The novel was translated into Gujarati by Uma Randeria as Nava Yugnu Parodh (2002). Those Days | Sei Somoy

    সুনীলের টাইম ট্রিলজীর তিনটি উপন্যাসই অসাধারণ!শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত মুগ্ধ হয়ে পড়েছি। এই উপন্যাসের প্রতিটি পৃষ্ঠা পড়তে পড়তে আমিও যেন চলে গিয়েছি সেই সময়ে, এ যেন এক ভ্রমন উপন্যাস!
    “নবীনকুমার বিভ্রান্তিকর আলোর স্বরূপ চিনে যেতে পারলো না। জীবনের শেষ কথাটি উচ্চারন করে অপরাহ্ণে তার চৈতন্য বিলুপ্ত হয়েছিল, তার হৃদস্পন্দন থেমে গেল পরদিন প্রত্যূষে। তার সৌন্দর্য-পিপাসু মন পূর্ণ যৌবনে এসে একটা বাঁক নিয়েছিল, অকস্মাৎ তাকে চলে যেতে হল।”

    শেষটায় কেমন যেনো এক সুক্ষ্ণ বেদনাবোধ কাজ করেছে!
    0140268529 সেই সময়- অসামান্য এক ঐতিহাসিক উপন্যাস। এক উপন্যাসে, এক টাইম ফ্রেমে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর, মাইকেল মধুসূদন দত্ত, প্রিন্স দ্বারকানাথ ঠাকুর, দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর, রানী রাসমণি, প্যারীচাঁদ মিত্র, দীনবন্ধু মিত্র, ডিরোজিও, বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় প্রমুখ ঐতিহাসিক চরিত্রকে লেখক ফুটিয়ে তুলেছেন অসীম নিপুণতায়। কলকাতার জমিদার-বাবুদের উত্থান পতন, ভোগ, লালসা, অন্দরমহল- ভৃত্যমহলের নানাবিধ ঘটনা, সিপাহী বিদ্রোহ, বিধবা বিবাহ প্রচলন, ব্রাহ্ম ধর্মের বিস্তৃতি, কোম্পানি শাসনের অবসান, নীলকরদের অত্যাচার জীবন্ত হয়ে উঠেছে এই বইয়ের দুই খণ্ডে। প্রখর মেধাবী নবীনকুমার সিংহ ওরফে কালীপ্রসন্ন এর বিচিত্র জীবনযাপন এই বইয়ের অনেকটা জুড়ে থাকলেও এ উপন্যাসের মূল চরিত্র নবীনকুমার নন। লেখক উপন্যাসের শুরুতেই বলে দিয়েছেন এ উপন্যাসের মূল চরিত্র হলো সময়। সময়ের হাত ধরেই লেখক পাঠকদে��� নিয়ে গেছেন জোড়াসাঁকোর সিংহ বাড়ি, ঠাকুর বাড়ি, নিষিদ্ধ পল্লীতে।

    অনেকটা সময় নিয়ে উপভোগ করলাম আঠারো শতকের ঘটনাপ্রবাহ নিয়ে রচিত এ সুদীর্ঘ রচনা। ২২শে আগস্ট শুরু করে শেষ করলাম আজ ৭ই সেপ্টেম্বর, সুনীলের ৮৬ তম জন্মবার্ষিকী তে এসে। শেষ অংশে অসীম হাহাকার আর শুন্যতা তৈরী করে আজকের মেঘলা দিনের বিষণ্ণতা যেন আরো বাড়িয়ে তুলল নবীনকুমারের অকাল মৃত্যু।
    প্রিয় বই এর তালিকায় খুব সহজেই স্থান করে নিলো টাইম ট্রিলজি এর প্রথম এই উপন্যাস। 0140268529 এ্যানির ভাষায়, এই বই পড়তে হয় খায়া না খায়া, উন্মাদের মত। গুটি গুটি করে ছাপা ছশো শব্দের পৃষ্ঠায় সাতশো পৃষ্ঠার একটা বই, মোটামুটি ঝড়ের গতিতে শেষ হয়ে যায়।

    এবং ব্যক্তিগতভাবে এই বইগুলো দিয়ে আমি সুনীলকে সংজ্ঞায়িত করি। কাকাবাবু লেখার ধরন একরকম ছিল, অরণ্যের দিনরাত্রির মত উপন্যাসগুলো আরেকটা অস্থির (মানে, আক্ষরিক অর্থেই স্থির না—এমন) ধাঁচে লেখা, কিন্তু সুনীল আসলে কী করতে পারেন—সেটা এই উপন্যাস তিনটা (সেই সময়, প্রথম আলো, পূর্ব-পশ্চিম) পড়লে বোঝা যায়। বিদ্যাসাগর কিংবা লর্ড বিটনের মত চরিত্রগুলো টাইমফ্রেমে ঠিক জায়গাতে রেখেও যে এত সাবলীলভাবে উপন্যাস লেখা সম্ভব—সেটা সুনীলের লেখা পড়েই প্রথম উপলব্ধি করেছিলাম। ঐতিহাসিক উপন্যাস লেখার এই ধরনটা আমার ভালো লেগেছে, কয়েকটা কাল্পনিক চরিত্রকে ব্যবহার করে ইতিহাসের চরিত্রগুলোকে একসাথে জোড়া লাগিয়ে দেয়া।

    আমার ভালো লাগে এই দেখে, এই উপন্যাস লিখতে গিয়ে সুনীল কীভাবে সেই সময়ের একেকটা উপাদান সংগ্রহ করেছেন! সব হয়তো টেরও পাইনি, কিন্তু দু-একটা যখন চোখে পড়েছে, মুগ্ধ-বিস্ময়ে থমকে থেকেছি। সেই যে কলকাতায় বসে রাইমোহন আবেগভরে বলছে পাড়াগেঁয়ে এক ছোকরার বাঁধা গানের কথা, এরপর গেয়ে উঠছে মৈমনসিংহ গীতিকার ‘কোথায় পাবো কলসি কইন্যা, কোথায় পাবো দড়ি—’ভোলা যায় সেই দৃশ্য!

    সেই সাথে মুগ্ধ হয়েছি মুখের ভাষা ব্যবহারে সুনীলের এমন কট্‌ঠিন নিয়ন্ত্রণ দেখে! উফ, একটা জায়গা পাওয়া মুশকিল যেখানে লেখকের স্খলন ঘটেছে। ইংরেজি কথাগুলো সাধুভাষায় লেখার ব্যাপারটা তো দারুণ ছিলই, কিন্তু আশ্চর্য হয়েছি অন্য একটা জিনিস দেখে। শ্রদ্ধেয় শামসুল হক লিখেছিলেন, গ্রামের মানুষ কথার মাঝে প্রচুর বাগ্‌ধারা বা প্রবাদ ব্যবহার করে, সুতরাং তাদের ভাষায় প্রাণ দেয়ার জন্য গ্রাম্য ভাষার পাশাপাশি এ জিনিসটাও রাখতে হবে। থাকোমণির সংলাপ লেখার সময় সুনীল ঠিক ঠিক তাই করেছেন। সত্যিকারের বড় লেখকদের মধ্যে কি একই চিন্তাধারা কাজ করে?

    কেবল ভাষা না, শব্দ ব্যবহার করতে গিয়েও কতবার যে ঝংকার দিয়েছেন সুনীল! একেকটা চরিত্র আসে ‘চটি ফটফটিয়ে’, চতুর্দিকে প্রচুর মানুষ জড় হলে ‘চিলুবিলু অবস্থা’ হয়ে যায়, আর নেশা? হুম, নেশার রঙটা হয় গোলাপী! তাছাড়া ভরদুপুরে ফেরিঅলার ডাকের সাথে যে পাখির ডাকের বস্তুত পার্থক্য নেই—এই সুন্দর কথাটাই বা ক’জন লিখেছেন?

    তবে মধুসূদনের নেশা করা কিংবা হরিশ মুখুজ্যের পতিতালয়ে যাওয়ার ব্যাপারগুলো লেখার পরেও আমি নিশ্চিত না, সুনীল তার প্রিয় চরিত্রদের বড় করে দেখিয়েছেন কিনা। কেননা ঈশ্বরচন্দ্র কিংবা রাজা রামমোহন রায় এই উপন্যাসে দেবতুল্য চরিত্র, আসলেই কি তারা তাই ছিলেন? রাজা রামমোহন রায়ের ওপর তো আবদুর রাজ্জাক স্যারকে বিশাল খ্যাপা দেখেছি, স্যার নাকি বলতেন, বাংলায় রেনেসাঁর কৃতিত্ব কোনোভাবেই রামমোহন রায়ের না (সিরাজ স্যার অবশ্য এক কাঠি বাড়া, তার মতে বাংলায় রেনেসাঁই হয়নি)!

    সেই সাথে দ্বিতীয় খণ্ডে দু-একটা অধ্যায় এসেছে খাপছাড়াভাবে, অর্থাৎ বই থেকে কুচকুচ করে কেটে ফেললেও উপন্যাসের কাহিনীটা আটকে যায় না। যেমন রূপচাঁদ পক্ষীর গল্পটা দেখে মনে হয়েছে, উপন্যাস লিখতে লিখতে সুনীল হঠাৎ জিভ কেটে স্মরণ করেছেন, রূপচাঁদের কথাই তো লিখলাম না মাইরি—এবং তৎক্ষণাৎ গ��্পটা লিখে পাণ্ডুলিপির ফাঁকে ঢুকিয়ে দিয়েছেন। সময়ের দলিল হিসেবে গ্রাহ্য, তবে উপন্যাসের কাহিনী হিসেবে খুবই দুর্বলভাবে ঝুলছে বইটার সাথে।

    শেষত, এই বইটা খুব প্রোভোকিং। চাবুক দিয়ে সপাং সপাং শব্দ করে বলে, যাও মেঘনাদবধ কাব্য পড়, নীলদর্পণের তো কিছুই পড়া হয় নাই তোমার, বেদব্যাসের অপূর্ব উপমা সম্পর্কে ঘোড়ার ডিমটা জানো, রামায়ণ পড়সো জীবনে কখনো—ইত্যাদি, ফলে ধড়ফড় করতে করতে একের পর এক বই পড়তে ইচ্ছে হয়। 0140268529 Sunil Gangopadhyay's Those Days is Bengal's answer to Tolstoy's War and Peace.

    Methodologically, both authors have approached the writing in the same way: an influential historical period is chosen — the Bengal Renaissance starting in the 1820s, all the way up to the 1870s in Those Days and the Napoleonic Wars in War and Peace — and characters [both historical and fictional] are used to give a sense of the period. Both authors take licence with putting words in the mouths of real people but do it so skilfully that one doesn't question whether that person would really have behaved in that way. The fictional characters are likewise constructed with such skill that one doesn't feel them to be out of place.

    Along with weaving a story that keeps the reader from putting his book down Gangopadhyay, like Tolstoy, provides sharp historical analysis that one can't help agreeing with. Particularly striking is Gangopadhyay's unstinting nationalism. He isn't afraid to criticise his countrymen, be they Hindu, Muslim or Christian for their tacit support, passive inaction or active support, respectively, of the colonial British government. Likewise, Gangopadhyay is fair in praising those British he sees as being positive role models.

    Where the comparison ends between Tolstoy and Gangopadhyay is on the question of the narratorial Voice. Tolstoy's narrator is infamous for declaring, in a Voice of God, that Nikolai Rostov experienced the happiest moment of his life in the middle of a fox hunt. The same narrator makes numerous claims to truth that no ordinary narrator would be able to make. Gangopadhyay shows restraint in such portions. Certainly, this being a realist novel with touches of modernism, the narrator is timeless and omniscient, but nowhere does he exhibit the arrogant self-confidence in proclaiming certain view points to be Truth, a literary sin of which Tolstoy was and is often accused.

    Clearly as much credit goes to the translator, Aruna Chakravarthy, as the author himself. I don't know Bengali so I can't evaluate the accuracy of the translation. However, a difficult task in any translation is to render the idiom, especially of the language of a previous century with such vast differences in social convention, in such a way as to make the dialogue both believable and engaging. In this latter task, I feel confident in saying that Chakravarthy has done a wonderful job. Not once did I want to put the book down while I was reading it, nor did ever feel that something that came from a character's mouth was jarring or out of place.

    All in all, this is a wonderful read and it is an absolute must for anyone who is teaching a course on Indian history or the Indian historical novel. I would recommend anyone with the patience for a historical novel to read this; you won't regret it. 0140268529 This is the book that made me understand and appreciate my heritage in a way nothing else ever did. Brilliant translation by Aruna Chakraborty! I just wish I had the reading skills to read the original :) 0140268529

    ২.৫
    জানি খুব বিখ্যাত উপন্যাস কিন্তু পড়ার পর একটা জিনিসই মনে হলো। কিছু খেয়ালি ধনবান বাস্তবতা থেকে বিচ্ছিন্ন পুরুষ জাতিউদ্ধারের কাজে নেমেছেন কিন্তু তারা জানেনই অর্ধেকের বেশী মানুষের জীবনযাত্রা কেমন। ঘুরে ফিরে ওই একই বিত্ত বৈভব আর ভোগের প্যাঁচাল খুবই অপ্রয়োজনীয় মনে হয়েছে।
    শুধু একটা জায়গায় উপন্যাস টা সার্থক, সেই সময়ে মেয়েদের অবস্থা তুলে ধরায়। ধনী কিংবা গরীব মেয়েদের অবস্থা ও পরিনতি কম বেশী একই। ওই সময়ের মেয়েদের দূর্ভাগ্যর কথা ভাবতেও গায়ে কাঁটা দেয়। 0140268529 সেই সময় জানার জন্য 'সেই সময়' পড়া। উপন্যাস পড়তে আমার বেশ কষ্ট হয়, তবে সেই সময় টানা পড়ছি। সেই সময়ের কবিগান-পুঁথিগান, হিন্দু কলেজ, কলকাতার বাবুসমাজ, সিপাহী বিদ্রোহ থেকে শুরু করে নীলকরদের অত্যাচার- এই সব কিছুই আছে। ভাবছিলাম কোন মূল চরিত্র থাকবে না, থাকলেও সেটা হবেন ঈশ্বরচন্দ্র বা মধুসূদন, তবে এই বইতে মূল চরিত্র ছিলেন কালীপ্রসন্ন সিংহ। কালীপ্রসন্ন মাত্র ২৩ বছর বয়সেই ১৮ খন্ড মহাভারত সংস্কৃত থেকে প্রাঞ্জল বাংলায় অনুবাদ করছিলেন, তার অনুবাদের উচ্চমান দেখে ঈশ্বরচন্দ্র নিজের মহাভারত অনুবাদ বাদ দেন। সংক্ষিপ্ত মহাভারত আমার পড়া হইলেই অনেকদিন থেকেই আমার মূল মহাভারত পড়ার অনেক শখ, মহাভারতকে বলা হয় পৃথিবীতে যে সকল কাহিনী বলা হইছে তার মধ্যে শ্রেষ্ঠতম কাহিনী। ভাবতেছিলাম পেঙ্গুইন থেকে প্রকাশিত ইংরেজি অনুবাদ পড়বো, তবে নেটে সার্চ দিয়া মাত্র কালীপ্রসন্ন সিংহের অনুবাদ নামাইতে দিলাম। দেখি এইটা পড়তে পারি কিনা। 0140268529 কিছু বই আছে যেগুলোকে আসলে কখনোই রেটিং দিয়ে হিসেব করা যায় না। ওগুলো রেটিং এর ঊর্ধ্বে। এইটাও তেমনই একটা বই।

    ১৮৪০-১৮৭০ - এই ৩০ বছরের সময়রেখা ছিল বাংলা সাহিত্যের আধুনিক কালের রথী মহারথীদের উত্থানের সময়কাল। 'সেই সময়' এ আমরা এই ৩০ বছরের কাহিনী শুনতে পাই। সুনীলের মনোমুগ্ধকর ঝরঝরে লেখনীর মাধ্যমে আমরা দেখতে পাই ইতিহাসের চরিত্র গুলো কিভাবে রক্তমাংসের মানুষের মতো আমাদের চোখের সামনে ধরা দেয়।

    কালীপ্রসন্ন সিংগী থেকে শুরু করে মধুসূদন দত্তের খ্রিস্টান হয়ে বাংলা ভাষা পরিত্যাগ করে ইংরিজি নিয়ে মাতামাতি এবং পরবর্তীতে আবার ভুল বুঝতে পেরে বাংলায় ফিরে এসে মহাকাব্য ও নাটক লিখে বাজিমাৎ করে দেওয়া, বিদ্যাসাগর, প্যারিচাঁদ মিত্র ও তাঁর 'আলালের ঘরের দুলাল', রাধানাথ শিকদার, রামতনু লাহিড়ী,হেমচন্দ্র, হরিশ মুখুজ্যে, দীনবন্ধু মিত্র, বঙ্কিমচন্দ্র, প্রিন্স দ্বারকানাথ ঠাকুর, দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর, ব্রাহ্ম সমাজের উত্থান,রাজা রামমোহন রায়ের চেষ্টায় সতীদাহ প্রথা বিলুপ্তকরণ, বিদ্যাসাগরের আপ্রাণ চেষ্টায় বিধবা বিবাহ প্রচলন,বেথুন সাহেব ও বিদ্যাসাগরের প্রচেষ্টায় নারী শিক্ষার প্রসার ও প্রচার ,সংস্কৃত কলেজ বনাম হিন্দু কলেজ, পাদ্রী লঙ,হেয়ার সাহেব, ক্যাপ্টেন রিচার্ডসন, লর্ড ক্যানিং, লর্ড মেয়ো, নীলকর সাহেবদের বাঙালি চাষীদের উপরে অত্যাচার, নীল বিদ্রোহ, সিপাহি বিদ্রোহ,মঙ্গোল পান্ডে, নানা সাহেব,সর্বশেষ মোঘল বাদশা বাহাদুর শাহ, রামায়ণ, মহাভারত, মেঘনাদবধ কাব্য, হুতোম প্যাঁচার নক্সা, নীল দর্পন,কলকাতা বন্দর,তৎকালীন হিন্দু সমাজের গোঁড়ামি, জাতভেদ ও ছুঁৎমার্গ, জমিদার, ভন্ড সাধুবাবা, মোসাহেব, মদ, বেশ্যা, বাঈজী - কি নেই এই কাহিনী তে!!

    এতো সব ঐতিহাসিক চরিত্র ও ঘটনার এরকম ৭০৯ পৃষ্ঠা ব্যাপী বিশাল এক জলজ্যান্ত উপাখ্যান এক মলাটের মধ্যে টেনে এনে, তাও ইতিহাস সম্পূর্ণ অবিকৃত রেখে বর্ননা করা একমাত্র গুরু সুনীলের পক্ষেই সম্ভব। 💓 0140268529 বইঃ সেই সময়
    লেখকঃ সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    প্রচ্ছদঃ পুর্ণেন্দু পত্রী

    অনেকদিন পরে আমার রিডার্স ব্লক কাটলো এবং এই বন্ধে আমি প্রচুর বই পড়ে কাটিয়েছি! আমি বেশ স্যাটিসফাইড আমার এই ভ্যাকেশন নিয়ে। এই বইটির কথা প্রায়ই শুনতাম, কিন্তু বই এর সাইজ দেখে বোধ হয় ভয় পেতাম বলে বইটা ধরা হচ্ছিলো না সেভাবে। ইতিহাস আমার সবসময় প্রিয়। হিস্টোরিক্যাল ফিকশন বলে বই এর একটি ঘরানা আছে, এই বইটি সেই ঘরানার।

    সেই সময় একটি বাংলা ঐতিহাসিক উপন্যাস যার উপজীব্য ঊনবিংশ শতাব্দীর ব্রিটিশ শাসনামলের বিকাশমান কলকাতা নগরীর সমাজ এবং মানুষ।

    উপন্যাসের নায়ক নবীনকুমার সিংহ। যার জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত সময়ের নানা উত্থান পতন এখানে দেখানো হয়েছে বিভিন্ন আঙ্গিকে।

    সমাজের প্রথম চরিত্রের সময়কালে ধনী ব্যাক্তিদের একাধিক বারবণিতা রাখাটাও খারাপ চোখে দেখতোনা হিন্দু রক্ষণশীল ধণী পরিবারগুলো। মেয়েদের পড়াশোনা দূরের কথা, স্বামীর মৃতদেহের সাথে চিতায় উঠাই ছিলো তাদের নিয়তি। এসময় বিধবা বিবাহের প্রচলন বিদ্যাসাগরের হাত ধরে এবং অল্পবয়সী মেয়েদের সেই ভয়ানক বৈধব্য থেকে মুক্তি দেয়ার যে চিন্তাভাবনা তা নাড়া দিয়েছিলো গোটা সমাজ। একজন বারবণিতার প্রচণ্ড মেধাবী পুত্রের সাথে এক স্কুলে পড়বে না বলে দিনের বেলায় সে স্কুল প্রায় বন্ধ করে দেয় যে সমাজের গোষ্ঠী, সেই লোকগুলোকে সন্ধ্যার পরে সেই বারবণিতাদের ঘরে বুঁদ হয়ে থাকতে দেখা যায়, তখন কেউ ছি ছি করে না! ধনীদের দু'হাতে টাকা উড়ানো আর অপরদিকে গরীবদের নিঃস্ব চালচুলোহীন অবস্থা- এই হলো সমাজ কাঠামো! ধর্মীয় গোড়ামি আর কুসংস্কার যখন খেয়ে নিচ্ছিলো মানুষকে তখন কতিপয় মানুষ আসলেন এই জাতিকে নবজাগরণের আশ্বাস দিতে- সমাজ সংস্কারক হিসেবে, সাহিত্যিক হিসেবে, কবি হিসেবে, নাট্যকার হিসেবে, হিতৈষী হিসেবে।

    বিধবাবিবাহের পেছনে বিদ্যাসাগর নামক মানুষটির পরিশ্রম, ইংরেজদের হাতে বাংলার কৃষকদের নিপীড়ন, কলকাতায় বেথুন স্কুলের উদ্ভব নারী শিক্ষার জন্য, এখানে আছে মাইকেল মধূসুদন দত্তের এক বিখ্যাত ধণী পরিবারের ছেলে হয়ে অধঃপতনের করুণ অবস্থার প্রেক্ষাপট-তার হিন্দুধর্মের প্রতি অবজ্ঞা আর খ্রিস্টধর্ম এবং ইংরেজদের প্রতি অসামান্য আনুগত্য বোধ-বাংলায় ফিরে আসা এবং মদ্যপানে আসক্ত হয়ে নিজেকে তিলে তিলে শেষ করে দেয়া, এখানে জোড়াসাকোর ঠাকুর পরিবারের দ্বারকানাথ ঠাকুর আছেন, বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় আছেন, দীনবন্ধু মিত্র আছেন, আছেন দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর, একজন ইংরেজ কতোখানি ভালোবাসা লালন করতে পারে কুসংস্কারাচ্ছন্ন বাঙালদের জন্য সেটা বোঝা যাবে ডেভিড হেয়ার কে দেখলে আবার একজন ইংরেজ বাংলার মানুষকে কতোখানি নিপীড়িত করেছে তার উদাহারন ম্যাকগ্রেগর!

    নবীনকুমারের অকালমৃত্যু আর বিন্দুবাসিনীর পরিণতি আমাকে কষ্ট দিয়েছে খুবই :') 0140268529 বেশ কয়েকদিন ধরে আমি ছিলাম ঘোরের মধ্যে।বর্তমান থেকে বারবার ফিরে যাচ্ছিলাম অতীতে।রঙিন পৃথিবী শুধু সাদা-কালো কল্পনায় হারিয়ে যাচ্ছিল।পড়ছিলাম সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের বিখ্যাত উপন্যাস সেই সময়।সময়ের তরঙ্গে আমার পরিচিত ঐতিহাসিক ব্যক্তিত্বগুলোকে যেন স্বচক্ষে দেখতে পাচ্ছিলাম।তাঁদের জীবনের জানা অজানা অধ্যায়গুলো ধরা দিচ্ছিল চোখের সামনে।উপন্যাসটি শেষ করে আমাদের মধ্যে শুধু কাজ করছিল মুগ্ধতা এবং লেখকের প্রতি অম্লান শ্রদ্ধা।

    'সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়' নামটার সাথে আমার পরিচয় 'কাকাবাবু' চরিত্রটার মাধ্যমে।তখন বয়সটা ��ম ছিল।স্কুলে পড়তাম।একদিন টিফিন পিরিয়ডে ক্লাস থেকে বের হয়ে দেখি বই ভর্তি একটা পিক আপ ট্রাক স্কুলের আঙিনায় দাঁড়িয়ে আছে।আমি তো অবাক।এত বই তাও আবার গাড়ির ভেতর!
    একটা লোক ট্রাকের পাশে দাঁড়িয়ে এদিক ওদিক তাকাচ্ছিল।তাকে জিজ্ঞেস করতেই তিনি বললেন এটি 'বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রে'র ভ্রাম্যমাণ লাইব্রেরি।
    মফস্বলে বসবাস করার অন্যতম সমস্যা হল পাঠ্যবই ছাড়া অন্য কোনো বই খুঁজে পাওয়াই মুশকিল।যেখানে দেশী বই পাওয়া যায় না সেখানে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র দেশ ছাড়িয়ে বিদেশের বইও পড়ার সুযোগ করে দিচ্ছিল।
    আমি কোন সাত-পাঁচ না ভেবেই লাইব্রেরির সদস্য হয়ে গেলাম।এবং প্রথম যেই বইটা নিলাম সেটার নাম ছিল কাকাবাবুর প্রথম অভিযান এবং পড়া শেষে ইমিডিয়েটলি কাকাবাবু এবং সন্তুর ফ্যান হয়ে গেলাম।একে একে পড়ে ফেললাম ভয়ঙ্কর সুন্দর, সবুজ দেশের রাজা, পাহাড়চুড়ায় আতঙ্ক, মিশর রহস্য এবং বাকি বইগুলোও।কাকাবাবু এবং সন্তুর এডভেঞ্চারগুলো তখন প্রচুর পরিমাণে শিহরণ জাগিয়েছিল।বই পড়ে শুধু আনন্দই পাই নি, অনেক কিছু জানতেও পেরেছি।শিশু-কিশোরদের জন্য প্রতিটা বই তো মণিমুক্তা বটেই,বড়রাও সমানভাবে উপভোগ করতে পারবে।
    যাক মূল কথায় আসা য���ক,এই ভ্রাম্যমাণ লাইব্রেরিতে চিরুনি তল্লাশি চালিয়ে সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রায় সবগুলো বই পড়ে ফেললাম।অবশেষে লাইব্রেরির বুকশেল্ফের সবচেয়ে উপরের তাকে মোটা মোটা তিনটি বই আবিষ্কার করলাম যার উপরে সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের নাম প্রিন্ট করা।বই তিনটার নাম ছিল সেই সময়, প্রথম আলো, পূর্ব-পশ্চিম।বই তিনটিকে ঘিরে জাগল অজস্র কৌতুহল।এত বড় ফিকশন হতে পারে কখনো?
    লাইব্রেরিয়ান আঙ্কেলকে বললাম বইগুলো বের করতে।কিন্তু তিনি বললেন,একটু বড় হও তারপর পড়ো।
    আশাহত হলাম।

    তবে কয়েক বছর পর বইগুলো পড়ার বয়স এবং সাহস দুটোই হল।শুরু করে দিলাম 'সেই সময়'।বইটার আকার দেখে ভয় পাওয়ার কোনো কারণই আসলে নেই।সাবলীল ভাষায় লেখা অত্যন্ত সুখপাঠ্য একটি বই।যে কোনো পাঠক একবার শুরু করলে শেষ না করে উঠতে পারবে না এটা আমার দৃঢ় বিশ্বাস।
    শ্রদ্ধেয় কালীপ্রসন্ন সিংহের জীবনকে ঘিরে তৎকালীন কলকাতার ঘটে যাওয়া গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা এবং ব্যক্তিত্বগুলোর জীবনকে অসামান্য অবদানে সাহিত্যরূপ দিয়েছেন সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়। যদিও কালীপ্রসন্ন সিংহের প্রতিকীরূপে ব্যাবহার করেছেন নবীনকুমার সিংহ নামটি।
    প্রত্যেকটা চরিত্রই ছিল মনে জায়গা করে নেয়ার মত।সেই সময়ের প্রথম পর্বের বেশির ভাগ জায়গা জুড়েই ছিল নবীনকুমারের অগ্রজ গঙ্গানারায়ণ সিংহ।নির্মল স্বভাবের গঙ্গানারায়ণের জীবনের ওঠানামা আমাকে ইমোশনালি ইমব্যালান্স করেছে। বড়কর্তা বিধুশেখর মুখুজ্যের সাথে গঙ্গানারায়ণের রেষারেষি, বাড়ির গিন্নী বিম্ববতীর সাথে স্নেহময় সম্পর্ক,প্রথম পত্নী লীলাবতীর সাথে সম্পর্ক,বন্ধু বান্ধবের সাথে হিন্দু কলেজের জীবন সবই যেন বিমোহিত করেছে আমায়।কিন্তু সবকিছু ছাপিয়ে বিন্দুবাসিনীর সাথে গঙ্গানারায়ণের মিলনই যেন দেখতে চেয়েছিলাম বারবার।জীবনের গতিময়তা গঙ্গানারায়ণকে বিভিন্ন এবং বিচিত্র জায়গায় নিয়েছে,নীলকরদের বিরুদ্ধে পর্যন্ত লড়িয়েছে।তাই গঙ্গানারায়ণ চরিত্রটা খুবই টেনেছে আমায়।
    তাছাড়া ঘুরে ফিরে এসেছে অসংখ্য গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক চরিত্র।মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্তের বিচিত্র জীবনকে এর চেয়ে সুন্দরভাবে জানতে পারতাম না কখনোই।
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের ছায়া ছিল পুরো উপন্যাস জুড়েই।বাংলা সাহিত্য,বাঙালী মেয়েদের শিক্ষা,বিধবা বিবাহের মত কঠিন সমাজকর্মে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের নির্মোহ অবদান এবং কঠিন অধ্যবসায়ের ��রিচয় পেয়ে মনে শুধুই নির্ভেজাল শ্রদ্ধার জন্ম নিয়েছে।
    তাছাড়া রামমোহন রায় কর্তৃক প্রোনীত ব্রাহ্ম ধর্মের উত্থানপতন,ব্রাহ্ম ধর্মের সাথে যুক্ত ব্যক্তিত্বগুলো যেমন প্রিন্স দ্বারকানাথ ঠাকুর,দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর,কেশবচন্দ্র সেনের জীবন সম্বন্ধেও স্বল্প পরিসরে জানতে পেরেছি।
    ১৮৫৭ সালের সিপাহী বিদ্রোহের ব্যাপারটাও বাদ যায় নি,ইংরেজদের বিরুদ্ধে মঙ্গল পান্ডে,তীতুমীর,বাহাদুর শাহের সৈন্যদের আপ্রাণ চেষ্টাও বুকে গেঁথে গেছে আমার।
    তাছাড়াও রানী রাসমণি দ্বারা কলকাতার বিখ্যাত কালীমন্দির প্রতিষ্ঠার গল্পও জানতে পেরেছি পড়ার ছলে।
    বাংলাভাষায় লেখা প্রথম উপন্যাস আলালের ঘরে দুলাল খ্যাত প্যারীচাঁদ মিত্র, এভারেস্টের উচ্চতা নির্ণয়কারী বাঙালী রাধানাথ শিকদার, নীলদর্পণ নাটক খ্যাত দীনবন্ধু মিত্র এমন অনেক বিখ্যাত মানুষের উল্লেখযোগ্য ঘটনাগুলো এমন সুন্দর করে গল্পে বেধেছেন যে লেখকের প্রশংসা না করে উপায় নেই।
    বঙ্কিম চট্টোপাধ্যায়ও উঁকি দিয়েছেন পরোক্ষভাবে।রবি ঠাকুরের জন্ম পর্যন্ত বাদ যায় নি।
    কয়েকজন উল্লেখযোগ্য ব্রিটিশও স্থান পেয়েছেন এই উপন্যাসে।শিক্ষাবিস্তারে ব্রতী ডেভিড হেয়ার এবং বেথুন সাহেব হিসেবে পরিচিত জন বিটনের চরিত্রও মুগ্ধ করেছে আমায়।
    তবে উপন্যাসটির মূল চরিত্র নবীনকুমারই।দূরন্ত জেদী বালক কিভাবে একের পর এক দুঃসাধ্য কাজ করে বড় হয়ে গেল বুঝতেই পারলাম।মাত্র পনেরো বছর বয়সে 'বিদ্যোতসাহিনী সভা' প্রতিষ্ঠা,বিধবাবিবাহে দান,নাটক রচনা,মহাভারত অনুবাদ, হুতোমপেঁচা ছদ্মনামে স্যাটায়ার রচনা,কৃষি বিদ্যালয়-হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা সবকিছুই তীব্রভাবে অনুপ্রেরিত করেছে আমায়।
    নবীনকুমারের জীবনে আসা প্রতিটি নারীচরিত্রই আকর্ষন করেছে,কৃষ্ণভ্রামিনী,সরোজিনী,বনজ্যোৎস্না কুসুমকুমারী,সুবালা সকলেই নবীনকুমারের জীবনে যথার্থ কারণে এসেছে।প্রত্যেকটা নারীচরিত্রের সাথে নবীনকুমারের প্রতিক্রিয়া উপভোগ করেছি খুব।
    তাছাড়াও আশেপাশের মাইনর চরিত্রগুলোও মনে দাগ কেটে গেছে। হিন্দু প্যাট্রিয়ট পত্রিকার সম্পাদক হরিশ মুখার্জী,নায়েব ভুজঙ্গধর,নবীনকুমারের ভৃত্য দুলালচন্দ্র,দুলালের মা থাকোমণি,গোমাস্তা দিবাকর,দিবাকরের স্ত্রী সোহাগবালা,পতিতা কমলাসুন্দরী সকলের জীবনের খুটিনাটি বর্ণনা উপন্যাসটির সৌন্দর্য বাড়িয়েছে বই কমায় নি।
    আমার অন্যতম পছন্দের চরিত্র রাইমোহন ঘোষাল।হিরামণি, চন্দ্রনাথ এবং রাইমোহনের সম্পর্কের টানাপোড়েনগুলো আমাকে নাড়িয়েছে খুব।
    কয়েকদিন যাবত নবীনকুমার এবং এইসব অসংখ্য চরিত্রগুলোর জীবনের অংশে আবিষ্কার করছিলাম নিজেকে।তৎকালীন সমাজের সংস্কারের বেড়াজাল ভেঙে নতুন আঙ্কিকে সমাজকে গড়ে তোলার সময়টাকে অদ্ভুত মুন্সীয়ানায় মলাটবন্দী করেছেন সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়। বাংলার নবজাগরণকে যেন প্রত্যক্ষ করলাম অসামান্য সাহিত্যের হাত ধরে।
    বাংলা সাহিত্যে অমর এক কীর্তি সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের সেই সময়।
    ইতিহাসকে,ইতিহাসের অমর ব্যক্তিত্বগুলোকে এমন শিল্পরূপ দেওয়ার জন্য বিনম্র শ্রদ্ধা প্রিয় লেখক সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রতি।আমার মত সহস্র পাঠকের জীবন সম্মোহিত করার জন্য অশেষ ধন্যবাদ।
    অনেক কিছু বলার ছিল,জানি না কতটুকু বলতে পেরেছি।যতই বলা হয় এই বই নিয়ে,আসলে কম বলা হয়। 0140268529